ভুয়া সংবাদ প্রচার নিয়ে দারুণ ঝামেলায় রয়েছে বিশ্বের সবচেয়ে বড় সোশাল মিডিয়া প্লাটফর্ম মার্ক জাকারবার্গ। তবে এখন বেশ সাবধান তিনি।
এক ঘোষণায় বলেন, তথাকথিত মিথ্যা সংবাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করবে ফেসবুক এবং কারো মতামত প্রচার বন্ধ করা হবে না। এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে অনেক ভুয়া খবর প্রচার করে সমালোচিত হয় ফেসবুক।
এ ছাড়া অনেকের পোস্ট সরিয়ে ফেলেও সমালোচিত হয়েছে তারা। সম্প্রতি ফেসবুক জানায়, যেকোনো খবর প্রচারের ক্ষেত্রে এখন থেকে বাইরের উৎস থেকেও যাচাই করা হবে।
বিশেষ করে রাজনৈতিক দলের অনেকে ফেসবুকের ভুয়া খবর নিয়ে তীব্র সমালোচনার কারণে এই ঘোষণা দেন জাকারবার্গ। দ্য ডেইলি ওয়ার এর এডিটর-ইন-চিফ এবং একজন খ্যাতিমান কনজারভেটিভ বেন শাপিরো জানান, খবর কাভারেজের ক্ষেত্রে ফেসবুকের এ অবস্থা ধ্বংসাত্মক।
নেতিবাচকক উদ্দেশ্য নিয়ে যারা কাজ করেন, তাদের পক্ষ হয়ে খবর প্রচার করছে ফেসবুক। জাকারবার্গের কাছে এক ফেসবুক ব্যবহারকারী প্রশ্ন রাখেন, খবর বাছাইয়ের ক্ষেত্রে বাছাইকারীরা যে রাজনৈতিকভাবে প্রভাবিত নন তার গ্যারান্টি কিভাবে নিশ্চিত করা হবে?
জবাবে মার্ক বলেন, খুব সাবধানে খবর বাছাই করা হবে। এ ছাড়া খবর প্রচারের পর মানুষের মতামত আটকানো হবে না। জাকারবার্গ বলেন, আমি বুঝি বিষয়টি কতটা স্পর্শকাতর। তাই ফেসবুকের দল এখন থেকে সর্বোচ্চ সতর্কতার সঙ্গে কাজটি করবে।
এ ছাড়া স্প্যাম আটকানো হবে। মতামত প্রকাশ বন্ধ করা হবে না। উদাহরণস্বরূপ বলা যায়, মাইকেল ফেলপস হার্ট অ্যাটাকে মারা গেছেন খবর যদি মানুষ পড়ে, তো এই খবরে বিজ্ঞাপন আসবে। কিন্তু এটা একটা বানোয়াট খবর।
আমাদের লক্ষ্য হবে খবরের বানোয়াট অংশগুলো ফেলে দেওয়া। ফেসবুক প্লাটফর্ম থেকে স্ক্যাম বিদায় করতে হবে। এ কারণে থার্ড-পার্টির বিষয়গুলো খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
যে থার্ড পার্টি রাজনৈতিকভাবে প্রভাবিত নয়, তাদের খুঁজে বের করা হবে, বলেন জাকারবার্গ। ৪২টি সংবাদ সংস্থা তাদের খবর প্রকাশে নীতি ও আদর্শের বিষয়ে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
আরো চারটি নতুন সংবাদের উৎস কাজে লাগাবে ফেসবুক। এগুলো হলো স্পোপস, ফ্যাক্টটেক ডট অর্গ, এবিসি নিউজ এবং পলিটিফ্যাক্ট।
আর ঘটনা যাচাইয়ে কাজ করবে অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস। এখন থেকে আর ভুয়া খবর প্রকাশ পাবে না ফেসবুকে।
কঠোর নজরদারি করা হবে, ঘোষণা দিলেন মার্ক।

0 comments:
Post a Comment
Thanks for your comments.