১২ জনের মৃত্যু হয় ঘূর্ণিঝড় ভার্দাহর আঘাতে


ভারতের তামিলনাড়ু ও প্রতিবেশী অন্ধ্র প্রদেশের উপকূলে গতকাল সোমবার ঘূর্ণিঝড় ভার্দাহ আঘাত হানে। এতে ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে।


ঘূর্ণিঝড়ের সময় বাতাসের গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ১২০ থেকে ১৩০ কিলোমিটার। ঘূর্ণিঝড়ের সঙ্গে ব্যাপক বৃষ্টিপাত হয়।

তামিলনাড়ু রাজ্যের উপকূলে ঘূর্ণিঝড়টি আঘাত হানার কয়েক ঘণ্টা পর রাজধানী চেন্নাইয়ে ব্যাপক বৃষ্টিপাত হয়েছে।

এ কারণে রাজধানী থেকে প্রায় ১৫ কিলোমিটার দূরে ভূমিধসের সৃষ্টি হয়। রাজ্য দুটির নিম্নাঞ্চলের প্রায় ২০ হাজার লোককে সরিয়ে নেওয়া হয়।

 চেন্নাই, কাঞ্চিপুরম ও তিরুভালুরের স্কুল-কলেজ আজ মঙ্গলবার বন্ধ রাখা হয়েছে। ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের প্রতি সহমর্মিতা জানিয়ে ধারাবাহিক টুইট বার্তা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

 এক টুইট বার্তায় নরেন্দ্র মোদি বলেন, ‘ঘূর্ণিঝড় ভার্দাহর প্রভাবে সৃষ্ট প্রতিকূল আবহাওয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত লোকদের প্রতি আমার প্রার্থনা রইল। নিরাপদে থাকুন।’

 সোমবার রাত থেকে চেন্নাই বিমানবন্দরের ফ্লাইট কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। সোমবার দিনব্যাপী বন্ধ রাখা হয় সুন্দরবন ট্রেন সার্ভিস। ঘূর্ণিঝড়ের আঘাতে চেন্নাইয়ের কয়েক শ গাছ ও বৈদ্যুতিক খুঁটি উপড়ে যায়।

পূর্ব সতর্কতা হিসেবে বিদ্যুৎ​ সরবরাহ আগে থেকেই বন্ধ রাখা হয়। সোমবার পুরো রাতই অন্ধকারে কাটায় চেন্নাইয়ের বাসিন্দারা। ঘূর্ণিঝড়ের তীব্রতা এতই তীব্র ছিল যে চেন্নাইয়ের একটি পাঁচ তারকা হোটেলের কাচের প্যানেল বিধ্বস্ত হয়।

এ ছাড়া অন্ধ্র প্রদেশে একটি তেলে ট্যাংকার মহাসড়কে উল্টে যায়।

 তামিল নাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন, সাগরের কাছাকাছি বসবাসরত ১০ হাজারের বেশি লোককে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে প্রায় নয় হাজার লোককে রাজ্যের বিভিন্ন আশ্রয়শিবিরে নেওয়া হয়েছে। 
Share on Google Plus

About Unknown

0 comments:

Post a Comment

Thanks for your comments.