তাবলিগ জামাতের উদ্যোগে বিশ্ব ইজতেমার অংশ হিসেবে মাদারীপুর জেলায় বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হয়েছে ৩ দিনব্যাপী ইজতেমা।
ফজরের নামাজ শেষে আমবয়ানের মধ্য দিয়ে মাদারীপুর পৌর এলাকার এ.আর হাওলাদার জুট মিল ময়দানে ইজতেমার আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হয়। বুধবার সন্ধ্যা থেকে মুসল্লিদের ঢল নামতে শুরু করে ইজতেমা ময়দানে।
শনিবার (১৭ ডিসেম্বর) আখেরী মোনাজাতের মধ্যদিয়ে শেষ হবে ৩ দিন ব্যাপী ইজতেমা। এত বড় জমায়েত মাদারীপুর জেলায় এই প্রথম।
টঙ্গীর তুরাগ নদীর পাড়ে এক সাথে ৬৪ জেলার মুসল্লিদের স্থান সংকুলান না হওয়ার কারণে ইজতেমাকে দু‘ভাগে ভাগ করা হয়েছে। গত বছর যে ৩২ জেলার মুসল্লীরা টঙ্গীর বিশ্ব ইজতেমায় যোগ দিয়েছিলেন; সেই সব জেলার মুসল্লীরা এবার টঙ্গীর বিশ্ব ইজতেমার মাঠে না গিয়ে নিজ নিজ জেলায় ইজতেমা করবেন।
এই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী মাদারীপুরে ১৫ থেকে ১৭ ডিসেম্বর ইজতেমা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। ইজতেমাকে সফল করতে এবং নিরাপত্তায় কাজ করছে পুলিশ, র্যা ব, ডিবি, সাদা পোশাকে পুলিশ এবং বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা।
এছাড়া ইজতেমা কমিটির পক্ষ থেকে ইজতেমা মাঠে বিভিন্ন ভাবে নিরাপত্তায় প্রস্তুত রয়েছে। ইজতেমাকে ঘিরে মেডিকেল টিম ও সার্বক্ষনিক এ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
মাদারীপুর ছাড়াও ইজতেমায় অংশ নিয়েছে শরীয়তপুর, ফরিদপুর, রাজবাড়ী, গোপালগঞ্জ, বরিশালসহ পদ্মার দক্ষিণাঞ্চলের ১০ জেলার মানুষ।
ইজতেমা কমিটির অন্যতম সাথী সদস্য মো. ইলিয়াছ হাবিবুল্লাহ বলেন, ‘ইজতেমার মাঠে জেলা ও জেলার বাইরে থেকে আসা মুসল্লী জমায়েত হয়ে একসাথে নামাজ আদায় করতে পারবেন। ইজতেমাকে ঘিরে রাখা হয়েছে ৬টি ওজুখানা।
এখানে একসাথে প্রায় ৩ হাজার মুসল্লী ওজু করতে পারবেন। ৬‘শ বাথরুমের ব্যবস্থা করা হয়েছে। টঙ্গির ইজতেমা কমিটির কাছ থেকে ১৫হাজার লিটার পানি ধারণ ক্ষমতা সম্পন্ন দ‘ুটি পানির ট্যাংকি আনা হয়েছে।
ইজতেমার পক্ষ থেকে নিজস্ব মেডিকেল টিম ও সার্বক্ষণিক এ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থা থাকবে, নিজস্ব ভাবে সার্বক্ষণিক বিদ্যুৎতের ব্যবস্থা করা হয়েছে।’
মাদারীপুর সদর থানার ওসি মো. জিয়াউল মোর্শেদ বলেন, ‘ইজতেমার জন্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে সকল প্রকার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে, যাতে মুসল্লীদের কোন প্রকার সমস্যা না হয়।

0 comments:
Post a Comment
Thanks for your comments.