ময়লা কিনবে বিদেশ থেকে সুইডেন


ময়লা নিয়ে আমাদের মতো দেশগুলোর দুশ্চিন্তার শেষ নেই। সে দুশ্চিন্তা হলো কীভাবে ময়লা-আবর্জনার সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা করা যায়, তা নিয়ে।
 
ময়লা নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছে উন্নত বিশ্বের সুইডেনও। তবে সেটা ময়লার অভাবে! দেশটিতে যে ময়লার সংকট দেখা দিয়েছে! সুইডেন শিগগিরই ময়লার সংকট কাটিয়ে উঠতে না পারলে চরম ঝামেলায় পড়বে। কারণ ময়লা ব্যবহার করে দেশটি বিদ্যুৎ উৎপাদন করছে।

তাই অন্য কোনো উপায় না দেখে আশপাশের দেশ থেকে ময়লা কেনার কথা ভাবছে দেশটি! পিটিআইয়ের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সুইডেন রাষ্ট্রীয়ভাবে বর্জ্যের পুনঃপ্রক্রিয়াজাতকরণ (রিসাইক্লিং) করে। এর মাধ্যমে উৎপাদিত বিদ্যুৎ দেশটির মোট চাহিদার প্রায় অর্ধেকটা পূরণ করে। দেশটির রিসাইক্লিং ব্যবস্থা এতটাই অত্যাধুনিক যে গত বছর দেশটির গৃহস্থ আবর্জনার মাত্র ১ শতাংশ ফেলে দেওয়া হয়েছে।

সুইডেনে এমন একটি ব্যবস্থাপনা তৈরি করা হয়েছে, যার মাধ্যমে বর্জ্য পোড়ানো থেকে উৎপাদিত তাপ একটি নির্দিষ্ট স্থানে যুক্ত হয়। পরে সেটি শীতকালে ঘর উষ্ণ রাখার কাজে ব্যবহৃত হয়। সুইডেনের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা-সংক্রান্ত রিসাইক্লিং অ্যাসোসিয়েশনের যোগাযোগ-সংক্রান্ত পরিচালক আনা-কেরিন গ্রিপওয়াল বলেন, ‘সুইডেনের জনগণ প্রকৃতিবান্ধব। তারা প্রকৃতি ও পরিবেশ বিষয়ে সচেতন। আমরা দীর্ঘদিন বিষয়টি নিয়ে সাধারণ মানুষের সঙ্গে কাজ করেছি।

তাদের বুঝিয়েছি, যেসব বস্তু আমরা পুনঃপ্রক্রিয়াজাত করে পুনরায় ব্যবহার করতে পারি, সেগুলো ঘরের বাইরে ফেলে দেওয়া উচিত নয়।’ দেশটির জনগণ বর্জ্য ব্যবস্থাপনার বিষয়ে সচেতন হয়েছে। এর ফলে রাষ্ট্রীয় উদ্যোগে রিসাইক্লিং সফল হয়েছে। এখন যদি ময়লাই না পাওয়া যায়, এসব প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দিতে হবে। ফলে বিদ্যুৎ নিয়ে সংকটে পড়তে হবে সুইডেনকে। এমন পরিস্থিতিতে অন্য কোনো দেশ থেকে ময়লা আমদানির জন্য দেশটির ওপর চাপ তৈরি হচ্ছে। হয়তো ময়লা কিনেই আপাতত এই পরিস্থিতি সামাল দিতে হবে সুইডেনকে।

ময়লা নিয়ে আমাদের মতো দেশগুলোর দুশ্চিন্তার শেষ নেই। সে দুশ্চিন্তা হলো কীভাবে ময়লা-আবর্জনার সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা করা যায়, তা নিয়ে। ময়লা নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছে উন্নত বিশ্বের সুইডেনও। তবে সেটা ময়লার অভাবে! দেশটিতে যে ময়লার সংকট দেখা দিয়েছে! সুইডেন শিগগিরই ময়লার সংকট কাটিয়ে উঠতে না পারলে চরম ঝামেলায় পড়বে। কারণ ময়লা ব্যবহার করে দেশটি বিদ্যুৎ উৎপাদন করছে। তাই অন্য কোনো উপায় না দেখে আশপাশের দেশ থেকে ময়লা কেনার কথা ভাবছে দেশটি! পিটিআইয়ের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সুইডেন রাষ্ট্রীয়ভাবে বর্জ্যের পুনঃপ্রক্রিয়াজাতকরণ (রিসাইক্লিং) করে।

এর মাধ্যমে উৎপাদিত বিদ্যুৎ দেশটির মোট চাহিদার প্রায় অর্ধেকটা পূরণ করে। দেশটির রিসাইক্লিং ব্যবস্থা এতটাই অত্যাধুনিক যে গত বছর দেশটির গৃহস্থ আবর্জনার মাত্র ১ শতাংশ ফেলে দেওয়া হয়েছে। সুইডেনে এমন একটি ব্যবস্থাপনা তৈরি করা হয়েছে, যার মাধ্যমে বর্জ্য পোড়ানো থেকে উৎপাদিত তাপ একটি নির্দিষ্ট স্থানে যুক্ত হয়। পরে সেটি শীতকালে ঘর উষ্ণ রাখার কাজে ব্যবহৃত হয়। সুইডেনের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা-সংক্রান্ত রিসাইক্লিং অ্যাসোসিয়েশনের যোগাযোগ-সংক্রান্ত পরিচালক আনা-কেরিন গ্রিপওয়াল বলেন, ‘সুইডেনের জনগণ প্রকৃতিবান্ধব।

তারা প্রকৃতি ও পরিবেশ বিষয়ে সচেতন। আমরা দীর্ঘদিন বিষয়টি নিয়ে সাধারণ মানুষের সঙ্গে কাজ করেছি। তাদের বুঝিয়েছি, যেসব বস্তু আমরা পুনঃপ্রক্রিয়াজাত করে পুনরায় ব্যবহার করতে পারি, সেগুলো ঘরের বাইরে ফেলে দেওয়া উচিত নয়।’ দেশটির জনগণ বর্জ্য ব্যবস্থাপনার বিষয়ে সচেতন হয়েছে। এর ফলে রাষ্ট্রীয় উদ্যোগে রিসাইক্লিং সফল হয়েছে। এখন যদি ময়লাই না পাওয়া যায়, এসব প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দিতে হবে। ফলে বিদ্যুৎ নিয়ে সংকটে পড়তে হবে সুইডেনকে। এমন পরিস্থিতিতে অন্য কোনো দেশ থেকে ময়লা আমদানির জন্য দেশটির ওপর চাপ তৈরি হচ্ছে। হয়তো ময়লা কিনেই আপাতত এই পরিস্থিতি সামাল দিতে হবে সুইডেনকে।

ময়লা নিয়ে আমাদের মতো দেশগুলোর দুশ্চিন্তার শেষ নেই। সে দুশ্চিন্তা হলো কীভাবে ময়লা-আবর্জনার সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা করা যায়, তা নিয়ে। ময়লা নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছে উন্নত বিশ্বের সুইডেনও। তবে সেটা ময়লার অভাবে! দেশটিতে যে ময়লার সংকট দেখা দিয়েছে! সুইডেন শিগগিরই ময়লার সংকট কাটিয়ে উঠতে না পারলে চরম ঝামেলায় পড়বে। কারণ ময়লা ব্যবহার করে দেশটি বিদ্যুৎ উৎপাদন করছে। তাই অন্য কোনো উপায় না দেখে আশপাশের দেশ থেকে ময়লা কেনার কথা ভাবছে দেশটি! পিটিআইয়ের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সুইডেন রাষ্ট্রীয়ভাবে বর্জ্যের পুনঃপ্রক্রিয়াজাতকরণ (রিসাইক্লিং) করে। এর মাধ্যমে উৎপাদিত বিদ্যুৎ দেশটির মোট চাহিদার প্রায় অর্ধেকটা পূরণ করে। দেশটির রিসাইক্লিং ব্যবস্থা এতটাই অত্যাধুনিক যে গত বছর দেশটির গৃহস্থ আবর্জনার মাত্র ১ শতাংশ ফেলে দেওয়া হয়েছে। সুইডেনে এমন একটি ব্যবস্থাপনা তৈরি করা হয়েছে, যার মাধ্যমে বর্জ্য পোড়ানো থেকে উৎপাদিত তাপ একটি নির্দিষ্ট স্থানে যুক্ত হয়। পরে সেটি শীতকালে ঘর উষ্ণ রাখার কাজে ব্যবহৃত হয়। সুইডেনের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা-সংক্রান্ত রিসাইক্লিং অ্যাসোসিয়েশনের যোগাযোগ-সংক্রান্ত পরিচালক আনা-কেরিন গ্রিপওয়াল বলেন, ‘সুইডেনের জনগণ প্রকৃতিবান্ধব। তারা প্রকৃতি ও পরিবেশ বিষয়ে সচেতন।

আমরা দীর্ঘদিন বিষয়টি নিয়ে সাধারণ মানুষের সঙ্গে কাজ করেছি। তাদের বুঝিয়েছি, যেসব বস্তু আমরা পুনঃপ্রক্রিয়াজাত করে পুনরায় ব্যবহার করতে পারি, সেগুলো ঘরের বাইরে ফেলে দেওয়া উচিত নয়।’ দেশটির জনগণ বর্জ্য ব্যবস্থাপনার বিষয়ে সচেতন হয়েছে। এর ফলে রাষ্ট্রীয় উদ্যোগে রিসাইক্লিং সফল হয়েছে। এখন যদি ময়লাই না পাওয়া যায়, এসব প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দিতে হবে। ফলে বিদ্যুৎ নিয়ে সংকটে পড়তে হবে সুইডেনকে। এমন পরিস্থিতিতে অন্য কোনো দেশ থেকে ময়লা আমদানির জন্য দেশটির ওপর চাপ তৈরি হচ্ছে।


হয়তো ময়লা কিনেই আপাতত এই পরিস্থিতি সামাল দিতে হবে সুইডেনকে।ময়লা নিয়ে আমাদের মতো দেশগুলোর দুশ্চিন্তার শেষ নেই। সে দুশ্চিন্তা হলো কীভাবে ময়লা-আবর্জনার সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা করা যায়, তা নিয়ে। ময়লা নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছে উন্নত বিশ্বের সুইডেনও। তবে সেটা ময়লার অভাবে! দেশটিতে যে ময়লার সংকট দেখা দিয়েছে! সুইডেন শিগগিরই ময়লার সংকট কাটিয়ে উঠতে না পারলে চরম ঝামেলায় পড়বে। কারণ ময়লা ব্যবহার করে দেশটি বিদ্যুৎ উৎপাদন করছে। তাই অন্য কোনো উপায় না দেখে আশপাশের দেশ থেকে ময়লা কেনার কথা ভাবছে দেশটি! পিটিআইয়ের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সুইডেন রাষ্ট্রীয়ভাবে বর্জ্যের পুনঃপ্রক্রিয়াজাতকরণ (রিসাইক্লিং) করে। এর মাধ্যমে উৎপাদিত বিদ্যুৎ দেশটির মোট চাহিদার প্রায় অর্ধেকটা পূরণ করে।

দেশটির রিসাইক্লিং ব্যবস্থা এতটাই অত্যাধুনিক যে গত বছর দেশটির গৃহস্থ আবর্জনার মাত্র ১ শতাংশ ফেলে দেওয়া হয়েছে। সুইডেনে এমন একটি ব্যবস্থাপনা তৈরি করা হয়েছে, যার মাধ্যমে বর্জ্য পোড়ানো থেকে উৎপাদিত তাপ একটি নির্দিষ্ট স্থানে যুক্ত হয়। পরে সেটি শীতকালে ঘর উষ্ণ রাখার কাজে ব্যবহৃত হয়। সুইডেনের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা-সংক্রান্ত রিসাইক্লিং অ্যাসোসিয়েশনের যোগাযোগ-সংক্রান্ত পরিচালক আনা-কেরিন গ্রিপওয়াল বলেন, ‘সুইডেনের জনগণ প্রকৃতিবান্ধব। তারা প্রকৃতি ও পরিবেশ বিষয়ে সচেতন।

আমরা দীর্ঘদিন বিষয়টি নিয়ে সাধারণ মানুষের সঙ্গে কাজ করেছি। তাদের বুঝিয়েছি, যেসব বস্তু আমরা পুনঃপ্রক্রিয়াজাত করে পুনরায় ব্যবহার করতে পারি, সেগুলো ঘরের বাইরে ফেলে দেওয়া উচিত নয়।’ দেশটির জনগণ বর্জ্য ব্যবস্থাপনার বিষয়ে সচেতন হয়েছে। এর ফলে রাষ্ট্রীয় উদ্যোগে রিসাইক্লিং সফল হয়েছে। এখন যদি ময়লাই না পাওয়া যায়, এসব প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দিতে হবে। ফলে বিদ্যুৎ নিয়ে সংকটে পড়তে হবে সুইডেনকে। এমন পরিস্থিতিতে অন্য কোনো দেশ থেকে ময়লা আমদানির জন্য দেশটির ওপর চাপ তৈরি হচ্ছে। হয়তো ময়লা কিনেই আপাতত এই পরিস্থিতি সামাল দিতে হবে সুইডেনকে।
Share on Google Plus

About Unknown

0 comments:

Post a Comment

Thanks for your comments.