এমার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবার ক্ষোভ ঝাড়লেন চীনের উপর


চীন নিয়ে আবার ক্ষোভ ঝাড়লেন হবু মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।


দীর্ঘদিনের রীতি ভেঙে তাইওয়ানের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে ফোনালাপের রেশ কাটতে না কাটতেই এবার টুইটারে চীনের মুদ্রানীতি ও দক্ষিণ চীন সাগরে অবস্থান নিয়ে সমালোচনায় মুখর হলেন তিনি।

গতকাল সোমবার ট্রাম্প টুইট করেন, ‘চীন কি নিজেদের মুদ্রার মান কমানোর ব্যাপারে আমাদের জানিয়েছে? এর ফলে আমাদের বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য প্রতিযোগিতা করা কষ্টসাধ্য হয়ে যাচ্ছে।’ ট্রাম্প আরও বলেন, চীন আমেরিকার পণ্যের ওপর অনেক বেশি করের বোঝা চাপাচ্ছে। অথচ আমেরিকা তা করছে না।
ট্রাম্পের মতে, মুদ্রার মান কমানোর ফলে চীনের রপ্তানিকারকেরা সুবিধা পাবেন। আর মার্কিন কোম্পানিগুলো প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়বে। এর কিছুক্ষণ পর ট্রাম্প আবার টুইট করে বলেন, ‘আমরা কি দক্ষিণ চীন সাগরে বিশাল সামরিক কাঠামো নির্মাণের জন্য তাদের অর্থ দিই? আমরা মনে হয়, না।’

নির্বাচনী প্রচারণার সময়ও চীনের মুদ্রার মান কমানো নিয়ে সমালোচনা করেছিলেন ট্রাম্প। গত মে মাসে এক নির্বাচনী সমাবেশে ট্রাম্প বলেছিলেন, বাণিজ্য নীতি ও নিজেদের মুদ্রার মান কমানোর মাধ্যমে চীন যুক্তরাষ্ট্রকে ‘ধর্ষণ’ করছে।


চীন গতকাল বলেছে, যুক্তরাষ্ট্রের হবু প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও সহযোগীরা তাইওয়ানের নেতা সাই ইং-ওয়েনের সঙ্গে তাঁর ফোনালাপের ব্যাপারে বেইজিংয়ের অবস্থান সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পেয়েছেন।

বেইজিংয়ে এক নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র লু কাং এ কথা বলেছেন। কীভাবে ট্রাম্প ও তাঁর সহযোগীদের স্পষ্ট ধারণা দেওয়া হয়েছে, সেটা বিস্তারিত বলেননি কাং।

তাইওয়ানের প্রেসিডেন্ট সাইয়ের সঙ্গে ট্রাম্প গত শুক্রবার টেলিফোনে কথা বলেন। মার্কিন রীতি অনুযায়ী তাইওয়ানের নেতার সঙ্গে প্রেসিডেন্টের সরাসরি আলাপ করাটা অস্বাভাবিক। কারণ, তাঁদের মধ্যে আনুষ্ঠানিক কূটনৈতিক সম্পর্ক কয়েক দশক ধরেই বন্ধ আছে।

 তাইওয়ানকে নিজেদের দেশের অংশ মনে করে চীন। যুক্তরাষ্ট্রও একক চীন নীতির সমর্থক। তাই ট্রাম্পের ওই আচরণে স্পষ্টত অসন্তুষ্ট হয়েছে বেইজিং। গত সপ্তাহে তাইওয়ানের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে প্রথা ভেঙে কথা বলেন ট্রাম্প। ১৯৭৯ সালের পর থেকে কোনো মার্কিন প্রেসিডেন্ট এটা করেননি।
Share on Google Plus

About Unknown

0 comments:

Post a Comment

Thanks for your comments.