বিয়ের পর মোটামুটি বছর তিনেক স্বামী-স্ত্রীর মন থাকে পাখির পালকের মত হালকা সুরের আমেজে ভরপুর। এমনিতে মনে থাকে পুলক। তাই মিলনকালে বৈচিত্রের প্রয়োজন হয় না।
কিন্তু পরে এটির প্রয়োজন হয়। অনেক স্বামীর বক্তব্য, স্ত্রী তাঁকে মনে সুখ দিতে পারে না। অর্থাৎ যেমনটি স্বামী চায় তেমনটি পায় না। হয়তো স্ত্রী মোমের পুরুলের মত নিষ্প্রাণ হয়ে স্বামীর সঙ্গে শুয়ে থেকে যৌন আনন্দের খোরাক যোগায়।
কিন্তু যে নারী স্বামীর যৌন কলায় সমভাবে অংশ নিতে পারে স এই স্ত্রী হয় স্বামীর প্রিয়তমা।(মেয়েরা যৌন জ্ঞান লাভ করতে পড়ুন মেয়েদের যৌনজ্ঞান বই টি। ) আবার দেখা যায়, স্ত্রী চাইলেও স্বামী ভিন্ন ভিন্ন রতি সঙ্গমে আগ্রহী হয় না। কারো মতে দেহমিলন বাদে শৃঙ্গার, কামকলার বৈচিত্র—সব বাজে জিনিস। দাম্ভিক স্বামীর অজ্ঞতা বা উদাসীনতা। কর্ম ব্যস্ত পুরুষ মিলনের জন্যে বেশী সময় দিতে চায় না। এই ধরণের পুরুষ দায়সারা গোছের মিলন সেরেই খুশী থাকে। এর ফলে সংসারে অশান্তি লাগে, স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়া হয়। নানারকম সমস্যা সৃষ্টি হয়।
তাই যৌনজ্ঞান থাকা অবশ্যই উচিত। তাহলে সংসার সুখের ও প্রীতিপূর্ণ হয়ে ওঠে। এটি কিভাবে আনবেন নীচে কিছু বৈচিত্র তুলে ধরা হলঃ মিলনের গতি বিচিত্র, বিচিত্রতর এর প্রকাশ ভঙ্গী। এর বিচিত্রতা যে কত তা বর্ণনা করে শেষ করা যাবে না। তবে মনে রাখতে হবে, সেইসব বিচিত্রতা স্বাভাবিক।
দাম্পত্য জীবনে কোন অঙ্গ বা কোণ কলা ঘৃণ্য নয়। অতএব তৃপ্তি দেয় যে জিনিস তাঁর মধ্যেই সুন্দর ও সত্য লুকিয়ে আছে।সতর্কতাঃ এটি প্রয়োগ করার পূর্বে হারাম সহবাস কি না পড়া হলে পড়ে নিন। পুরুষের কাম উত্তেজনা তাড়াতাড়ি আসে। কিন্তু নারীর উত্তেজনা আনার জন্য স্ত্রীকে স্বামীর সাহায্য করার দরকার।
দাম্পত্য জীবনে চিত্র-বৈচিত্র বজায় রাখলে জীবন আনন্দমুখর হয়ে উঠবে। কোন কোন প্রক্রিয়ায় কাম বোইচিত্র বেশি আসবে সেগুলো দম্পতিকেই খুঁজে নিতে হবে। যৌন আবেগ স্বতঃ উৎসারিত। তাই বৈচিত্র নিজের থেকেই সৃষ্টি হয়। অনেক স্বামী মিলনের সময় স্ত্রীর সোহাগ, চুম্বন, আদর ইত্যাদি আশা করে। অর্থাৎ স্ত্রীর উপর তাঁরা বেশি নির্ভরশীল হয়। এর কারণ হলোঃ-
০১. ছেলেবেলায় মনের মধ্যে নিষ্ক্রিয় ভাব বাসা বাঁধার ফলে বিবাহিত জীবনে তাঁর কোন পরিবর্তন হয় না।
০২. ফ্রয়েদের মতে, মাতৃক্রোড়ে পরোক্ষোভাবে যে কামজীবনের শুরু হয়, তাঁর জন্যেই মনের অবচেতনে এটি দানা বাঁধে।
০৩. অনেক স্বামীর পক্ষে নারীর সক্রিয়তা না হলে পূর্ণ তৃপ্তি হয় না। তাই ধীরে ধীরে বাধ্য হয়ে তাঁরা পরাধীন মিলনকেই গুরুত্ব দেয় বেশি বা পছন্দ করে।
স্ত্রীর সক্রিয়তার প্রয়োজনঃ কয়েকটি ক্ষেত্রে স্ত্রীর সক্রিয়তার যে বিশেষ প্রয়োজন আছে তা মনে রাখতে হবে। এই ক্ষেত্রগুলি হলোঃ- গর্ভাবস্থায় শেষের দিকে।
প্রসবের পর দুই এক মাস, যখন স্বামী এগিয়ে আসতে চায় না।
নিজের তৃপ্তির জন্যেও এই উপায়টি সবচেয়ে বেশী কার্যকরী তা বাস্তব অভিজ্ঞতায় বোঝা যায়।
কামকলায় মিলন বৈচিত্র আনার জন্য। স্বামী পরাধীন মিলনের পক্ষপাতী হলে এর প্রয়োজন তখন সবচেয়ে বেশী হয়ে থাকে।




0 comments:
Post a Comment
Thanks for your comments.