বরের বাড়ি ভারতে। কনের বাড়ি পাকিস্তানে। বিয়ের দিন ছিল আজ সোমবার। কিন্তু সীমান্তে হত্যা আর গোলাগুলির পর দুই দেশের বৈরী সম্পর্কের কারণে ভিসা জটিলতায় বিয়েটা ভেস্তে যাওয়ার দশা হয়েছিল। বিয়ের অনুষ্ঠান ভারতে।
কনে ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা ভিসা পাচ্ছিলেন না। সমস্যা সমাধানের আশায় আশ্রয় নেওয়া হয় টুইটারের। টুইটের জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুষমা স্বরাজ কনের পরিবারের ভিসার ব্যবস্থা করেন। ভারতে এসে সাত পাকে বাঁধা পড়েন ওই পাকিস্তানের কন্যা। বিবিসি ও এনডিটিভির খবরে বলা হয়েছে, পাকিস্তানের করাচির মেয়ে প্রিয়া বচ্চানি ও ভারতের যোধপুরের নরেশ তিওয়ানির বাগদান হয়েছিল তিন বছর আগে। বিয়ের তারিখ ছিল আজ সোমবার।
বিয়ের অনুষ্ঠানও ভারতে। কিন্তু ভিসা জটিলতায় মাস খানেক ধরে ঘোর অনিশ্চয়তায় ছিল প্রিয়া ও নরেশের পরিবার। কিন্তু ভারতে পৌঁছাতে পারবেন কি না, তা নিয়ে বেশ চিন্তিত ছিলেন প্রিয়া ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা। কোনো উপায় না দেখে নরেশ ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুষমা স্বরাজকে টুইট করে সাহায্য চান। নরেশ টুইটে জানান, প্রিয়া ও তাঁর স্বজনদের করাচিতে ভিসা দেওয়া হচ্ছে না। এগিয়ে আসেন সুষমা। সমাধান হয়ে যায়। বেজে ওঠে বিয়ের সানাই।
নরেশ পররাষ্ট্রমন্ত্রীর উদ্দেশে টুইট করেন, ‘ম্যাম, আমার বিয়ে ৭ নভেম্বর। আমার বাগদত্তার বাড়ি পাকিস্তানের করাচিতে। তার পরিবার ভারতে আসার ভিসা পাচ্ছে না। আপনিই এখন আমার ভরসা। অনুগ্রহ করে সাহায্য করুন।’ পরে টুইটে সুষমা জানিয়ে দেন, ‘উদ্বিগ্ন হয়ো না, আমরা ভিসার ব্যবস্থা করছি।’ সুষমা স্বরাজের নির্দেশে ভিসার ব্যবস্থা হয় প্রিয়াদের। গতকাল রোববার রাজস্থানে পৌঁছান প্রিয়া এবং তাঁর ৩৪ জন স্বজন। আজ সোমবার ধুমধামে নরেশ ও প্রিয়ার বিয়ে সম্পন্ন হয়। এর আগেও এমন অনেক সমস্যার সমাধান করেছেন সুষমা।

0 comments:
Post a Comment
Thanks for your comments.