জাগৃতি প্রকাশনীর প্রকাশক ফয়সল আরেফিন দীপন ও ব্লগার নীলাদ্রি নিলয় হত্যা মামলায় খায়রুল ইসলাম নামের এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)।
গতকাল শুক্রবার রাতে রাজধানীর কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন থেকে খায়রুলকে গ্রেপ্তার করা হয়। আজ শনিবার ডিবির কার্যালয়ে গণমাধ্যমের সামনে তাঁকে হাজির করা হয়। পরে ডিবির মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের সদস্য খায়রুল দীপন ও নীলাদ্রি হত্যার পরিকল্পনা করেছিলেন। তিনি সংগঠনটির তথ্যপ্রযুক্তি (আইটি) বিশেষজ্ঞ হিসেবে সক্রিয় ছিলেন। ডিবির ভাষ্য, খায়রুল হত্যার জন্য টার্গেট করা ব্যক্তিদের বিষয়ে সব ধরনের খুঁটিনাটি তথ্য সংগ্রহ করতেন।
পরে নির্দিষ্ট ব্যক্তির ওপর হামলার পরিকল্পনা করতেন। তিনি নীলাদ্রি, দীপনসহ আরো কয়েক জনের বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করে হত্যাকাণ্ডের ছক তৈরি করেছিলেন। সংবাদ সম্মেলনে ডিবির যুগ্ম কমিশনার আবদুল বাতেন বলেন, ‘খায়রুল ইসলাম, দুটা অপারেশনের ক্ষেত্রে ডাইরেক্টলি (সরাসরি) সে ভূমিকা পালন করেছে। একটা হলো নীলাদ্রি, আরেকটা হলো জাগৃতি প্রকাশনীর দীপন।’
‘নীলাদ্রির বিষয়টাতে পাঁচ মাস পর্যন্ত তাকে (নীলাদ্রি) ফলো করে। জাগৃতি প্রকাশনীরটাও সে ফাইনালি রোড-ঘাট পর্যন্ত সব কিছু তথ্যাদি সংগ্রহ করে অপারেশনাল উইংকে সে এই ইনফরমেশনগুলো প্রোভাইড (সরবরাহ) করে।’ আবদুল বাতেন আরো বলেন, ‘যখন তারা টার্গেট সিলেকশন হয়, তখন বড় ভাই অ্যাসাইন করে দেয়। নীলাদ্রি। তুমি এটার ব্যাপারে তথ্য সংগ্রহ কর।
করে তারপর অপারেশন সাকসেস না হওয়া পর্যন্ত, সে তার অপারেশনাল ইন্টেলিজেন্সের কাজটা করে।’ এদিকে গত বছরের ২৫ অক্টোবর রাজধানীর বাড্ডায় গারো তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগে রুবেল নামের এক ব্যক্তিকে বিমানবন্দর এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব।

0 comments:
Post a Comment
Thanks for your comments.