বেশির ভাগ ক্ষেত্রে নারীদের একই সময়ে দুটি ডিম্বাণু ছাড়ার ফলে যমজ শিশুর জন্ম হয়। নিষিক্ত ডিম্বাণুর দুটি বিভাজনের ফলেও যমজ সন্তানের জন্ম হয় তবে এ ধরনের ঘটনা কম ঘটে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, কেট হিল পলিসিস্টিক ওভ্যারি সিনড্রোমে ভুগছিলেন। এ কারণে ঋতুচক্রে তাঁর ডিম্বাণু নির্গত হচ্ছিল না। তাই তাঁর হরমন চিকিৎসা চলছিল। একপর্যায়ে ১০ দিনের ব্যবধানে অরক্ষিত মিলনের কারণে তিনি দুবার অন্তঃসত্ত্বা হন। কেটের যমজ মেয়ে শারলত ও অলিভিয়ার জন্ম হয় ১০ মাস আগে। দুজনের আকার এবং ওজন ভিন্ন ছিল। গর্ভাবস্থায় দুজনই ভিন্ন পরিস্থিতিতে বেড়ে ওঠে।
কেট হিল অস্ট্রেলিয়ার সেভেন নেটওয়ার্ককে বলেন, ‘যমজ মেয়ে দুটির জন্মের আগ পর্যন্ত আমরা বুঝতে পারিনি আমার অন্তঃসত্ত্বার বিশেষত্ব কী।’ বিশ্বব্যাপী এ ধরনের ১০টি ঘটনা রয়েছে বলে ধারণা করা হয়। চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় এর নাম ‘সুপারফিটেশন’।
নামেকেটের চিকিৎসক ব্র্যাড আর্মস্ট্রং বলেন, এ ধরনের ঘটনা এতটাই দুর্লভ যে তিনি অনলাইনে খুঁজতে বাধ্য হয়েছেন। তিনি বলেছেন, ‘চিকিৎসাসংক্রান্ত ওয়েবসাইটগুলোতে এ ব্যাপারে আমি কোনো লেখা পাইনি।’

0 comments:
Post a Comment
Thanks for your comments.