পাকিস্তানের সামরিক বাহিনী ভারত সীমান্ত এলাকায় বড় ধরনের সামরিক মহড়া করেছে। প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফ ও সেনাপ্রধান রাহিল শরিফ এ সময় উপস্থিত ছিলেন। কাশ্মীর সীমান্তে অব্যাহত উত্তেজনার মধ্যে পাকিস্তান এ মহড়া করল।
গত সেপ্টেম্বরে পাকিস্তাননিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরের কথিত জঙ্গি ঘাঁটিতে ভারতের ‘সার্জিক্যাল স্ট্রাইকসের’ পরে কাশ্মীরের নিয়ন্ত্রণরেখায় (এলওসি) সংঘর্ষের ঘটনা বেড়েছে। ভারত ও পাকিস্তান উভয়ে পরস্পরের বিরুদ্ধে অস্ত্রবিরতি লঙ্ঘনের অভিযোগ করেছে। সীমান্তে পাকিস্তানি সেনাদের উপস্থিতি বেড়েছে।
পাকিস্তানি গণমাধ্যম এই মহড়াকে ‘স্ট্রাইক অব থান্ডার’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছে। দেশটির জিয়ো টেলিভিশনের এক অনলাইন প্রতিবেদনে জানানো হয়, ভারতীয় সীমান্তবর্তী এলাকায় ওই মহড়ায় ট্যাংক, যুদ্ধবিমান ও ভারী সমরাস্ত্রসহ সাঁজোয়া বাহিনী অংশগ্রহণ করে। মহড়ায় দেওয়া ভাষণে প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফ বলেন, তাঁর সরকার অন্য দেশের বিষয়ে নাক গলায় না এবং প্রত্যাশা করে, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ও একই আচরণ করবে।
১১ ভারতীয় সেনা নিহত হওয়ার দাবি: এদিকে একই অনুষ্ঠানে পাকিস্তানের সেনাপ্রধান রাহিল শরিফ দাবি করেছেন, গত সোমবার সীমান্তে গোলাগুলির সময় ১৪ ভারতীয় সেনাসদস্য নিহত হয়েছেন, যা দেশটির কর্তৃপক্ষ স্বীকার করতে চাইছে না। তবে গতকাল বৃহস্পতিবার এক টুইটার বার্তায় ভারতীয় সেনা কর্তৃপক্ষ বলেছে, ওই দিন পাকিস্তানি হামলায় কোনো ভারতীয় সেনাসদস্যই হতাহত হয়নি।

0 comments:
Post a Comment
Thanks for your comments.