এতে মৌখিক পরীক্ষার জন্য উত্তীর্ণ হয়েছেন ৬ হাজার ৫২৩ জন। আগামী ১ ডিসেম্বরের মধ্যে মৌখিক পরীক্ষা নেওয়া হবে জানিয়ে শনিবার রাতে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পরীক্ষার স্থান ও তারিখ পরে জানানো হবে।
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মুক্তিযোদ্ধা কোটায় সহকারী শিক্ষক নিয়োগে গত ২৯ অক্টোবর ৩৫ হাজার ৪৬৩ জন লিখিত পরীক্ষায় অংশ নেন। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, উত্তীর্ণদের জেলাওয়ারী রোল নম্বরের তালিকা সংশ্লিষ্ট জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের নোটিশ বোর্ডে টাঙানো হবে। এছাড়া প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে মৌখিক পরীক্ষার জন্য নির্বাচিতদের তালিকা পাওয়া যাবে।
উত্তীর্ণদের অনলাইনে আবেদনের আপলোড করা ছবি, আবেদনের কপি, লিখিত পরীক্ষার প্রবেশপত্র, নাগরিকত্ব সনদ, শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ, মুক্তিযোদ্ধা সনদ, মুক্তিযোদ্ধার সঙ্গে সম্পর্ক সনদ, প্রযোজ্য ক্ষেত্রে এতিম সংক্রান্ত সনদ, প্রতিবন্ধী সংক্রান্ত সনদ, পোষ্য সনদ, আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা সনদ, উপজাতি সনদসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র অন্ততপক্ষে নবম গ্রেডের গেজেটেড কর্মকর্তাকে দিয়ে সত্যায়িত করে আগামী ২০ নভেম্বর মধ্যে নিজ নিজ জেলায় জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে আবশ্যই জমা দিয়ে প্রাপ্তি স্বীকারপত্র সংগ্রহ করতে বলা হয়েছে।
“মৌখিক পরীক্ষা বোর্ডে প্রদর্শনের জন্য জমাদানকৃত সনদপত্রের প্রাপ্তি স্বীকারপত্র ও অন্যান্য কাগজপত্রের মূল কপি প্রার্থীকে সঙ্গে রাখতে হবে।” সরকারি প্রাথমিকে মুক্তিযোদ্ধা কোটায় ৩ হাজার ৪৪০ জনকে শূন্য পদে সহকারী শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দিতে গত ২৪ মে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। গত ৩০ মে থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত প্রার্থীরা অনলাইনে আবেদন করেন।

0 comments:
Post a Comment
Thanks for your comments.